বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ, হাসান মাহমুদ, গৌরনদী : শোকের মাস আগস্ট। ইতিহাসের সেই কালবেলা। শোকের চাদরে ছেয়ে গেছে বরিশালের গৌরনদীর মাহিলারা ইউনিয়ন। শোকের চাদরে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের কমপ্লেক্স ভবন। ১৫ আগস্ট ভয়াল কালরাতে শহীদদের স্মরণে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মাসব্যাপী শোকের মাস পালনের ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করেছেন গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু।
মাহিলাড়া ইউপির জননন্দিত চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু’র ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।১৫ আগস্ট যেন মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের কালিমালিপ্ত বেদনাবিধুর শোকের দিন। সে কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, জ্যেষ্ঠ পুত্র মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, দ্বিতীয় পুত্র মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল, কনিষ্ঠ পুত্র শিশু শেখ রাসেল, সদ্য বিবাহিত পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মণি ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণি, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, তাঁর ছোট মেয়ে বেবী সেরনিয়াবাত, কনিষ্ঠ পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, দৌহিত্র সুকান্ত আব্দুল্লাহ বাবু, ভাইয়ের ছেলে শহীদ সেরনিয়াবাত, আব্দুল নঈম খান রিন্টু, বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা অফিসার কর্নেল জামিল উদ্দিন আহমেদ ও কর্তব্যরত অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী।


১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে ঘাতকের নির্মম বুলেটে শাহাদাৎবরন করেছিলেন বরিশালের তৎকালীন গৌরনদী বর্তমান আগৈলঝাড়া উপজেলার কৃতি সন্তান বঙ্গবন্ধুর বোন জামাতা আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ও তাঁর পরিবারের ছয়জন সদস্য। ১৫ আগস্ট ভয়াল কালরাতে শহীদদের স্মরণে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মাসব্যাপী শোকের মাস পালনের ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করেছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের জাতীয় পুরস্কার চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু। ইতোমধ্যে মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনকে শোকের চাদরে মুড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি শহিদ গ্যালারী ও শোকের তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। ভবনের চারপাশে শহিদদের ছবি সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন সাটানো হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলু বলেন, ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে ঘাতকের নির্মম বুলেটে শাহাদাৎবরন করেছেন দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি’র পিতা তৎকালীন মন্ত্রী শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সহ তার পরিবারের ছয় সদস্য। তাই ১৫ আগস্টের নৃশংস ও ভয়ঙ্কর নির্মমতার ইতিহাস এ অঞ্চলের তরুণ প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরার লক্ষে শহীদ গ্যালারী নির্মাণ সহ পুরো ইউনিয়ন পরিষদকে শোকের চাদরে মুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply